কমে যাচ্ছে মুরগির ওজন ও ডিমের পরিমাণ
খামারে লোডশেডিংয়ের ব্যাপক প্রভাব
স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় :
০৮-০৫-২০২৬ ০৩:৪৩:৩৬ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
০৮-০৫-২০২৬ ০৩:৪৩:৩৬ অপরাহ্ন
ফাইল ছবি
বরিশালে লোডশেডিং কিছুটা কমায় স্বস্তিতে আছেন খামারিরা। তবে ১৫-২০ দিন আগে গরমে অসুস্থ হওয়ায় এবং ওজন কমে যাওয়ায় লেয়ার মুরগির ডিমের উৎপাদন কমে যাওয়ায় বেড়েছে এই জাতের মুরগি ও ডিমের দাম। তবে ব্রয়লার ও সোনালির দাম বাড়েনি। আগের মতোই আছে।
কাশিপু্রের খামারি মাসুম গাজী জানিয়েছেন, গত এক সপ্তাহ ধরে লোডশেডিং কম। যা ১৫ দিন আগেও ছিল অসহনীয়। ওই সময় গরমে অর্ধশতাধিক ব্রয়লার মুরগি মারা গেছে। এর মধ্যে বেড়েছে খাবারের দামও। এজন্য ব্রয়লার বেশি বড় করতে পারছি না। ১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছি, ১৫ দিন আগেও একই দাম ছিল। তবে লেয়ারের ডিমের উৎপাদন কমে যাওয়ায় বেড়েছে এই জাতের মুরগির কেজিতে ১০-১৫ টাকা বেড়েছে। সেইসঙ্গে ডিমের দাম বেড়েছে পিসে এক টাকা। এজন্য বাজারে কিছুটা বেড়ে গেছে।
নতুন বাজারের মুরগি ব্যবসায়ী রাজ্জাক হাওলাদার বলেন, ‘১৫ দিন আগে ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হয়েছিল ১৭০ টাকা। এখন ১৮০ থেকে ১৯০ টাকায় বিক্রি করতে হয়। কারণ খাদ্যের দাম বেড়েছে।’
কাশিপু্রের লেয়ার মুরগি ফার্মের মালিক হাসিব মিয়া বলেন, ‘লোডশেডিংয়ের সময় খাবার কম খাওয়ায় লেয়ারের ওজন কমে গিয়েছিল। তার প্রভাব এখন পড়তে শুরু করেছে। কিছু মুরগি মারাও গেছে। যেগুলোর ওজন কমে গিয়েছিল সেগুলো এখন ডিম পাড়া বন্ধ করে দিয়েছে। ১০০ মুরগির মধ্যে অর্ধেকই ডিম পাড়ছে না। এজন্য দাম বেড়েছে ডিমের। আবহাওয়া ভালো থাকলে আবার খাবার খেয়ে ওজন বাড়লে ডিম পাড়বে।’
বাংলা বাজারের মুদি দোকানি ধলু মিয়া বলেন, ‘১৫ দিন আগেও ডিমের হালি ৪০ টাকায় বিক্রি করেছি। গত সপ্তাহে ৪৫ টাকায় বিক্রি করি। বৃহস্পতিবার ৪৮ টাকায় বিক্রি করেছি। কারণ প্রতি পিসে এক টাকা বেড়েছে।’
বরিশাল বিদ্যুতের গ্রিন লাইন নিয়ন্ত্রণ কক্ষ সূত্র জানিয়েছে, গত চার থেকে পাঁচ দিন ধরে বরিশালে চাহিদা রয়েছে ৮৬ মেগাওয়াট বিদ্যুতের। ওই চাহিদা মাফিক বিদ্যুৎ পাওয়ায় লোডশেডিং দিতে হচ্ছে না। বৃহস্পতিবার একই পরিমাণ চাহিদা ছিল। ওই চাহিদা মাফিক বিদ্যুৎ পাওয়ায় লোডশেডিং দিতে হয়নি।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স